Our oldest leader departs

Sisir da

প্রবীণতম নেতা , পি এন্ড টি কর্মচারীদের ৪৬ এর আন্দোলন যা বৃটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনে পর্যবসিত হয়েছিল সেই আন্দোলনের সক্রিয় অংশগ্রহনকারী কমরেড শিশির ভট্টাচার্য গত ৩০শে এপ্রিল ২০১৮ প্রয়াত হয়েছেন। টেলিকম ফ্যাক্টরিতে চাকরীতে প্রবেশের পর তিনি খেলাধুলার সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করেন। পরে কমরেড কেজি বসুর পরামর্শে সক্রিয়ভাবে ট্রেড ইউনিয়ন আন্দোলনে অংশগ্রহন করেন। সারা ভারত ইন্ডাষ্ট্রিয়াল ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ছিলেন ১২ই জুলাই কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক এবং সিজি কো অর্ডিনেশন কমিটির সাধারণ সম্পাদক। চাকরীরত অবস্থায় যেমন লড়াই সংগ্রামে নিজেকে ব্যাপৃত রেখেছিলেন, ১৯৭৮ সালে অবসরগ্রহনের পর থেকেও একদিনের জন্য বসে থাকেন নি। শ্রমজীবি মানুষের আন্দোলনের সাথে জীবনের প্রায় শেষ দিন পর্যন্ত সক্রিয় ছিলেন। 

MSG to District/Branch Secretaries

প্রিয় জেলা / শাখা সম্পাদকগণ,

সকলকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আশা  করি ইতিমধ্যে জেলা ও শাখাগত ভাবে  দুর্গাপুরে অনুষ্ঠিত সিইসি সভার রিপোর্টিং করা হয়েছে। উক্ত সভার সিদ্ধান্তগুলিও ব্যাখ্যা করা হয়েছে। আগামী সর্বভারতীয় সম্মেলন কলকাতায় অনুষ্ঠিত হবে সে সম্পর্কে সদস্যদের কর্তব্যকর্ম কী হবে সে বিষয়েও আলোচনাও হয়েছে আশা করি।

গত ২৮শে মার্চ আমাদের যৌথ আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে  সিজিএম এর লিখিত প্রতিশ্রুতিগুলি কার্যকর করার ক্ষেত্রে সেভাবে প্রশাসনিক উদ্যোগ পরিলক্ষিত হচ্ছে না। প্রশাসন যাতে সক্রিয় হয় সেই উদ্দেশ্যে জেলা প্রশাসকের সামনে ২০ থেকে ২৬ এপ্রিলের মধ্যে যে কোন একটি দিন যৌথভাবে (বিএসএনএলইইউ এবং সিএমইউ এর সাথে) বিক্ষোভ সমাবেশ সংগঠিত করুন। অনেক জেলাই কর্মসূচীর পর সার্কেলকে রিপোর্ট পাঠান না।  মনে হয় সাংগঠনিক স্বার্থে এটা প্রয়োজন।

কোন সমস্যা সম্পর্কে অবহিত করার জন্য সার্কেল সম্পাদককে পাওয়া না গেলে যোগাযোগ করুন ডি দাসবক্সীর সঙ্গে, ফোন নম্বর – 9434001227. সার্কেল কর্মকর্তামন্ডলীর সব সদস্যদের কাজ ভাগ করে দেওয়া হয়েছে সুতরাং আপনাদের সমস্যাগুলি নিয়ে সার্কেল সেক্রেটারী ছাড়া শুধু দাসবক্সীর সঙ্গেই কথা বলুন।

পীযূষ চক্রবর্তী   সার্কেল সম্পাদক